ভাষার ক্রমবর্ধমান কদর্য্যায়ন একটি অস্বাভাবিক পরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রকল্প।সময়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে যে কোনো জাতি তার ভাষাকে আরো পরিশীলিত করে, এটাই তার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া , এই প্রক্রিয়াতে উচ্চারণ থেকে শব্দচয়ন ও প্রয়োগ পুরোটাই একদিকে যেমন সহজ ও স্বাবলীল হয় , পাশাপাশি আবার পরিশীলিত ও হয়.. অশ্রাব্য বা অকথ্য বা অপাঠ্য হয় না, যখন সেটা হচ্ছে বুঝতে হবে কোনো গূঢ় উদ্দেশ্য নিহিত আছে. অন্য ভাষা থেকে স্বাবলীল ভাবেই শব্দ নিজের ভাষাতে অবাধে ঢোকে , কিছু টিঁকে যায় , কিছু অল্প কয়েক বৎসর পরে মুছে যায়। অবিমির্শ আমদানি ভাষার ষষ্ঠী পুজো বা অশান্তিশস্ত্যয়ন করে ছাড়ে।
ভাষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক dielectics হচ্ছে যারা ভাষার একদেশীকরণের বা একজাতিকরণের জন্য জমিন আসমান উল্লম্ফন করেন, তারাই কিন্তু ভাষার জাতগত ধর্মগত পৃথকীকরণ করেন - ভাষার 'অস্মিতার' অছিলায়। এই রোমান্টিক মনোগত অসামাজিক অসামূহিক ব্যক্তি-চর্যা ভাষা কে বিভাজিত করে , এবং করে অবশেষে এক অদ্ভুত শ্রেণী-বিভাজনের সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে , এরই চাপে ভাষার কিছু দরকচা মার্কা উপভাষা তৈরী হয় নাগরিক পরিমণ্ডলে , যা পরে কৃষিজ উৎপাদনের অঞ্চল গুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। ফিরকাপরোস্তি বা বিচ্ছিন্নতাবাদ ভাষার মাধ্যমে জাতি গঠন কে উচ্চবিত্ত উচ্চবৃত্ত নির্ধারিত ধাঁচে ফেলে ভাষার স্বাভাবিক প্রশ্বাস কে রুদ্ধ করে. ঠিক তখনি উচ্ছকটির মানুষরা বিদেশী ভাষার অনুসারী হয় আর সাধারণ মানুষের ভাষাকে ব্রাত্য চিহ্নিত করা হয়.. ভাষাকে জাতিগত,জাতগত, জেলাগত , অঞ্চলগত এনং সর্বশেষে শ্রেণীগত বিভাজনের মধ্যে দিয়ে তার সার্বিক সামূহিক মান্যতাপ্রাপ্তির পথ থেকে সরিয়ে হাজার একটা খন্ড রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়. এতে ভাষার সংখ্যাগত শক্তি এবং ভাষাব্যবহার কারীদের মধ্যেকার intra-solidarity ক্ষতিগ্রস্ত হয়. ভাষা আন্তর্জাতিক বা অন্তৰাষ্ট্রীক প্রেক্ষিতে গুরুত্ব হারাতে থাকে। ভাষা স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতে তার নিজের বিস্তারের দিকেই এগোয় [কলকাতার ভোজপুরি দের শব্দচয়নে ক্রমবর্ধমান খাস বাংলা শব্দ ব্যবহারেই তা স্পষ্ট ] কিন্তু পাশের দেশের অর্থাৎ পাশের দেশের দশের সঙ্গে শত্রুতা বাড়িয়ে অস্মিতা কে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টায় ভাষার পিন্ডি চটকানো ভাষাকে যে শুধু নিচের দিকে নিয়ে যায় তাই নয়, সাধারণ ভাবে শিক্ষার মানের অবনমন ঘটিয়ে বিদেশী ভাষাকেই মাথায় চড়ানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হয়.
'ভাষাকে ধর্ম ও রাষ্ট্রীয় বিভাজনের কাশতি বানাতে হবে' - এটা জাতীয়তাবাদের প্রকল্প, যে জাতীয়তাবাদ প্রকাশ্যে ভাষিক জাতীয়তাবাদ, প্রচ্ছন্নে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ। জাতীয়তাবাদ সব ক্ষেত্রেই মানুষে মানুষের বিভাজনের বাহন। পাশের দেশের কিছু বুদ্ধিজীবি যারা সাধারণত বিদেশে অভিনিবিষ্ট এবং প্রতীচ্যের নাগরিকত্ব 'হাসিল' করেছেন , তাঁরা দেশের প্রতি ' প্রেম' দর্শানোর বহিরঙ্গে এই বিভাজন সৃষ্টি করে থাকেন , বাইরে বসে বা বাইরের ' খেয়ে' ঘরের বিভাজন অর্থনৈতিক , নৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক আধিপত্য বা hegemony প্রতিষ্ঠার কপট চাল, দেশে থাকলে ঐক্যের পরিসর বাড়ানোর একটা চাপ বা তাগিদ থাকে, বাইরে থাকলে বা বাইরের খেলে সে দায়িত্বর অর্গলমুক্ত হওয়া যায়. তাই বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের সানুকূল্যে বা বিদেশী অর্থসাহায্য প্রাপ্ত NGO র মাধুকরী র দৌলতে এই কাজ ভালোই চলে আবার বুদ্ধিজীবী তকমাও জোটে।দেশের মানুষ তখন হাঁ করে ভাবেন 'আহা বাইরে থেকেও দেশের প্রতি কি নাড়ীর টান ' . NGO র আশরাফি বড়োই 'স্বস্তিদায়ক' , দেশ বা বিদেশ যেখানেই অধিষ্ঠান হোক না কেন , একটা পানির ওপর রাজবেশের মতন এস্টাইলে থাকা যায়.
আমাদের এই বাংলায় ও এই প্রজাতির দু এক পিস এর দেখা মেলে,এরা আবার ওপারের ফিরকাপরোস্তিদের অনুগামী , সহচর এবং পৃষ্টপোষক , তারা পরস্পরের অনুমোদনে এবং অনুপোষণে দেশ দুনিয়ায় জ্ঞান গম্ভীর বক্তিমে করে বেড়ান , বাংলার নবারুনী ভাষায় ব্যক্ত না করেও বলা যায় , উঞ্ছবৃত্তির মাধুকরীতে মাননীয় হবার এক বহু প্রচলিত সস্তাসুন্দর যাপন ক্রিয়া। তাঁরা ভাষার পায়ে লাগিয়ে দিতে চান স্বাভাবিক চরাচর রুদ্ধ করার অর্গল। তারা একদেশিক একভাষীক ইউরোপীয় মডেলের সাষ্টাঙ্গে সেজদা প্রদানকারী [আদাকারী বলা পারে]. তারা বলে থাকেন ভাষাগোষ্ঠীকে "মডার্ন" [এই শব্দটা বাংলায় বলেন না] রাষ্ট্র দিতে হবে, [কিন্তু চাকমা, চাঙমা মেইতেই , সাঁওতালি কে সেই অধিকার দেওয়া চলবে না , যেমন চলবে না কামতাপুরি বা সান্দ্রি কে রাষ্ট্রিক স্বীকৃতি -কারণ ওগুলো ছোটলোকদের ভাষা যে !] এটা স্পষ্ট হয় এই বিচ্ছিন্নতা আর রাষ্ট্রের রোমান্টিকতা একটা শ্রেণী নিষ্পেষণ এর হাতিয়ার , মধ্যবিত্তের আরো উচ্চবিত্তের মুত্সুদ্দিযায়ন এর প্রচেষ্টা ]
NGO দের দুটো ধারা অর্থাৎ ইসলামী NGO আর মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় বা ফাউন্ডেশন এর NGO এখন মেড়ো -বানিয়া NGO গুলোর হিন্দুত্ববাদী রূপের বিরুদ্ধে কুস্তি করবার জন্যে লাল-সবুজ বাং জার্সি চাপিয়ে রিং এ নেমে পড়েছে , আমরা জার্সি র রঙে খিলাড়ি চিনছি , এদের মূল লক্ষ অন্য সেমিফাইনাল থেকে যেন আসল লাল জার্সি যেন ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছুতে না পারে, এই মর্মে দোস্তি।
ভাষিক জাতীয়তাবাদ এর নামে বাংলাদেশ হারালো বাংলা-সংস্কৃত -ফার্সি এ এক অমোঘ সংশ্লেষ , আমরা বাংলাপ্রদেশীরা হারালাম বাংলা-পূরবী-মৈথিলী-অহমিয়া-ওড়িয়ার সংশ্লেষের এক সুবর্ণ সুযোগ , রাষ্ট্রের পোষণে লাফাঙ্গা বলিউডি মাওয়ালী মেরকু-টেরেকু মার্কা হিন্দি কে আমরা নিখিল ভারতীয় ভাষা হিসেবে ঠাহর করতে শুরু করলাম কারণ আমাদের সবচেয়ে সফরী বা মোবাইল অংশটি সাহিত্য-সংস্কৃতি বধীর একটি পয়সাওয়ালা প্রজাতি। ওদেশে যেমন সবচেয়ে অশিক্ষিত উপজাতিটি বিদেশে menial job এর দৌলতে বিদেশী মুদ্রায় পোষ্টিত আমাদের এখানে চাকুরীর পয়সা গর্বে এক একটা পোষ্টিত nincompoop [এর ভালো প্রতিশব্দ নেই] উপজাতি - তারা সব IT তে কাজ করেন।
যাই হোক ভারতে ভাষার তরলীকরণ চলছে হিন্দি-হিন্দুত্বের চাপে আর তার বিপরীত প্রক্রিয়া চলছে পাশের দেশে একদেশীকরণ আর একিজাতীকরণ বা একইধর্মীয়করণের ইসলামী NGO এর মাধ্যমে। ফ্রান্সে যখন francais থেকে froncophone থেকে froncophile কে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে [সুমনা সিনহা র বিখ্যাত উক্তি - ফ=ফরাসি ভাষা আমার মাতৃভূমি [মাতৃভাষা নয়] ] তখন আমরা খন্ড থেকে আরো খন্ডিয়করণের পথে এগোচ্ছি - এটাই ভাষা ও সংস্কৃতির মুত্সুদ্দিযায়ন। ভাষার বিস্তৃতায়ন একটি আন্তর্জাতিকতাবাদী শ্রেণী সংগ্রাম।
ভাষার ক্ষেত্রে সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক dielectics হচ্ছে যারা ভাষার একদেশীকরণের বা একজাতিকরণের জন্য জমিন আসমান উল্লম্ফন করেন, তারাই কিন্তু ভাষার জাতগত ধর্মগত পৃথকীকরণ করেন - ভাষার 'অস্মিতার' অছিলায়। এই রোমান্টিক মনোগত অসামাজিক অসামূহিক ব্যক্তি-চর্যা ভাষা কে বিভাজিত করে , এবং করে অবশেষে এক অদ্ভুত শ্রেণী-বিভাজনের সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে , এরই চাপে ভাষার কিছু দরকচা মার্কা উপভাষা তৈরী হয় নাগরিক পরিমণ্ডলে , যা পরে কৃষিজ উৎপাদনের অঞ্চল গুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। ফিরকাপরোস্তি বা বিচ্ছিন্নতাবাদ ভাষার মাধ্যমে জাতি গঠন কে উচ্চবিত্ত উচ্চবৃত্ত নির্ধারিত ধাঁচে ফেলে ভাষার স্বাভাবিক প্রশ্বাস কে রুদ্ধ করে. ঠিক তখনি উচ্ছকটির মানুষরা বিদেশী ভাষার অনুসারী হয় আর সাধারণ মানুষের ভাষাকে ব্রাত্য চিহ্নিত করা হয়.. ভাষাকে জাতিগত,জাতগত, জেলাগত , অঞ্চলগত এনং সর্বশেষে শ্রেণীগত বিভাজনের মধ্যে দিয়ে তার সার্বিক সামূহিক মান্যতাপ্রাপ্তির পথ থেকে সরিয়ে হাজার একটা খন্ড রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়. এতে ভাষার সংখ্যাগত শক্তি এবং ভাষাব্যবহার কারীদের মধ্যেকার intra-solidarity ক্ষতিগ্রস্ত হয়. ভাষা আন্তর্জাতিক বা অন্তৰাষ্ট্রীক প্রেক্ষিতে গুরুত্ব হারাতে থাকে। ভাষা স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতে তার নিজের বিস্তারের দিকেই এগোয় [কলকাতার ভোজপুরি দের শব্দচয়নে ক্রমবর্ধমান খাস বাংলা শব্দ ব্যবহারেই তা স্পষ্ট ] কিন্তু পাশের দেশের অর্থাৎ পাশের দেশের দশের সঙ্গে শত্রুতা বাড়িয়ে অস্মিতা কে সংজ্ঞায়িত করার প্রচেষ্টায় ভাষার পিন্ডি চটকানো ভাষাকে যে শুধু নিচের দিকে নিয়ে যায় তাই নয়, সাধারণ ভাবে শিক্ষার মানের অবনমন ঘটিয়ে বিদেশী ভাষাকেই মাথায় চড়ানোর প্রক্রিয়া নেওয়া হয়.
'ভাষাকে ধর্ম ও রাষ্ট্রীয় বিভাজনের কাশতি বানাতে হবে' - এটা জাতীয়তাবাদের প্রকল্প, যে জাতীয়তাবাদ প্রকাশ্যে ভাষিক জাতীয়তাবাদ, প্রচ্ছন্নে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ। জাতীয়তাবাদ সব ক্ষেত্রেই মানুষে মানুষের বিভাজনের বাহন। পাশের দেশের কিছু বুদ্ধিজীবি যারা সাধারণত বিদেশে অভিনিবিষ্ট এবং প্রতীচ্যের নাগরিকত্ব 'হাসিল' করেছেন , তাঁরা দেশের প্রতি ' প্রেম' দর্শানোর বহিরঙ্গে এই বিভাজন সৃষ্টি করে থাকেন , বাইরে বসে বা বাইরের ' খেয়ে' ঘরের বিভাজন অর্থনৈতিক , নৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক আধিপত্য বা hegemony প্রতিষ্ঠার কপট চাল, দেশে থাকলে ঐক্যের পরিসর বাড়ানোর একটা চাপ বা তাগিদ থাকে, বাইরে থাকলে বা বাইরের খেলে সে দায়িত্বর অর্গলমুক্ত হওয়া যায়. তাই বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়ের সানুকূল্যে বা বিদেশী অর্থসাহায্য প্রাপ্ত NGO র মাধুকরী র দৌলতে এই কাজ ভালোই চলে আবার বুদ্ধিজীবী তকমাও জোটে।দেশের মানুষ তখন হাঁ করে ভাবেন 'আহা বাইরে থেকেও দেশের প্রতি কি নাড়ীর টান ' . NGO র আশরাফি বড়োই 'স্বস্তিদায়ক' , দেশ বা বিদেশ যেখানেই অধিষ্ঠান হোক না কেন , একটা পানির ওপর রাজবেশের মতন এস্টাইলে থাকা যায়.
আমাদের এই বাংলায় ও এই প্রজাতির দু এক পিস এর দেখা মেলে,এরা আবার ওপারের ফিরকাপরোস্তিদের অনুগামী , সহচর এবং পৃষ্টপোষক , তারা পরস্পরের অনুমোদনে এবং অনুপোষণে দেশ দুনিয়ায় জ্ঞান গম্ভীর বক্তিমে করে বেড়ান , বাংলার নবারুনী ভাষায় ব্যক্ত না করেও বলা যায় , উঞ্ছবৃত্তির মাধুকরীতে মাননীয় হবার এক বহু প্রচলিত সস্তাসুন্দর যাপন ক্রিয়া। তাঁরা ভাষার পায়ে লাগিয়ে দিতে চান স্বাভাবিক চরাচর রুদ্ধ করার অর্গল। তারা একদেশিক একভাষীক ইউরোপীয় মডেলের সাষ্টাঙ্গে সেজদা প্রদানকারী [আদাকারী বলা পারে]. তারা বলে থাকেন ভাষাগোষ্ঠীকে "মডার্ন" [এই শব্দটা বাংলায় বলেন না] রাষ্ট্র দিতে হবে, [কিন্তু চাকমা, চাঙমা মেইতেই , সাঁওতালি কে সেই অধিকার দেওয়া চলবে না , যেমন চলবে না কামতাপুরি বা সান্দ্রি কে রাষ্ট্রিক স্বীকৃতি -কারণ ওগুলো ছোটলোকদের ভাষা যে !] এটা স্পষ্ট হয় এই বিচ্ছিন্নতা আর রাষ্ট্রের রোমান্টিকতা একটা শ্রেণী নিষ্পেষণ এর হাতিয়ার , মধ্যবিত্তের আরো উচ্চবিত্তের মুত্সুদ্দিযায়ন এর প্রচেষ্টা ]
NGO দের দুটো ধারা অর্থাৎ ইসলামী NGO আর মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় বা ফাউন্ডেশন এর NGO এখন মেড়ো -বানিয়া NGO গুলোর হিন্দুত্ববাদী রূপের বিরুদ্ধে কুস্তি করবার জন্যে লাল-সবুজ বাং জার্সি চাপিয়ে রিং এ নেমে পড়েছে , আমরা জার্সি র রঙে খিলাড়ি চিনছি , এদের মূল লক্ষ অন্য সেমিফাইনাল থেকে যেন আসল লাল জার্সি যেন ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছুতে না পারে, এই মর্মে দোস্তি।
ভাষিক জাতীয়তাবাদ এর নামে বাংলাদেশ হারালো বাংলা-সংস্কৃত -ফার্সি এ এক অমোঘ সংশ্লেষ , আমরা বাংলাপ্রদেশীরা হারালাম বাংলা-পূরবী-মৈথিলী-অহমিয়া-ওড়িয়ার সংশ্লেষের এক সুবর্ণ সুযোগ , রাষ্ট্রের পোষণে লাফাঙ্গা বলিউডি মাওয়ালী মেরকু-টেরেকু মার্কা হিন্দি কে আমরা নিখিল ভারতীয় ভাষা হিসেবে ঠাহর করতে শুরু করলাম কারণ আমাদের সবচেয়ে সফরী বা মোবাইল অংশটি সাহিত্য-সংস্কৃতি বধীর একটি পয়সাওয়ালা প্রজাতি। ওদেশে যেমন সবচেয়ে অশিক্ষিত উপজাতিটি বিদেশে menial job এর দৌলতে বিদেশী মুদ্রায় পোষ্টিত আমাদের এখানে চাকুরীর পয়সা গর্বে এক একটা পোষ্টিত nincompoop [এর ভালো প্রতিশব্দ নেই] উপজাতি - তারা সব IT তে কাজ করেন।
যাই হোক ভারতে ভাষার তরলীকরণ চলছে হিন্দি-হিন্দুত্বের চাপে আর তার বিপরীত প্রক্রিয়া চলছে পাশের দেশে একদেশীকরণ আর একিজাতীকরণ বা একইধর্মীয়করণের ইসলামী NGO এর মাধ্যমে। ফ্রান্সে যখন francais থেকে froncophone থেকে froncophile কে মান্যতা দেওয়া হচ্ছে [সুমনা সিনহা র বিখ্যাত উক্তি - ফ=ফরাসি ভাষা আমার মাতৃভূমি [মাতৃভাষা নয়] ] তখন আমরা খন্ড থেকে আরো খন্ডিয়করণের পথে এগোচ্ছি - এটাই ভাষা ও সংস্কৃতির মুত্সুদ্দিযায়ন। ভাষার বিস্তৃতায়ন একটি আন্তর্জাতিকতাবাদী শ্রেণী সংগ্রাম।
No comments:
Post a Comment