২৮ দিনের শিশু ধর্ষিত হলো। পাশবিক বলা যাবে না, কারণ পশু রা কখনই এটা করার কথায় ভাবে না, খুব বেশি হলে অন্যের শিশু খেয়ে ফেলে, তাও নাকি evolution এর প্রক্রিয়ায় সেটা ও কমে গ্যাছে , অন্তত বনদপ্তর তাই বলছে। "মানবিক" বা "মানুষিক " ও বলা যাবে না, কারণ, মনুষ্য ইতিহাসে এরকম শোনা যায় নি। "ভারতীয়" বলা যেতেই পারে। বিদেশে বিশেষত পূর্ব ইউরোপ ও রুস দেশে এবং মধ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাকি আজকাল মায়েরা দুরে ভারতীয় দেখলে শিশু বা কিশোরী দের আগলে রাখছে, সরিয়ে নিচ্ছে। একেবারে অহেতুক বলা কঠিন, মায়েদের কাছে সন্তানের security , সাধারণ সামাজিক morality র থেকে অনেক বেশি জরুরি। হ্যা "ভারতীয়" নামাঙ্কন তাই সমীচীন কারণ, প্রায় সারা বহির্বিশ্বে "ধর্ষক" আর "ভারতীয় " শব্দ দুটি সমার্থক। পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র এই দেশেই ধর্ষণের অভিযোগে শাস্তি পাওয়া বড়ই দুষ্কর , পেলেও সময় সাপেক্ষ , এতটাই যে শাস্তি হয়ই না, হলেও খুব টানাটানি করে ৭ বছর. ধর্ষণ আর যুগপত খুনে মাত্র একটি ফাঁসি হয়েছে এবং সেটা একেবারে খুবই বিতর্কিত , একটি honour killing কে ঢাকতে গিয়ে টাকার জোরে ফাঁসি দেওয়া হযেছিল। আর সব ভয়ংকর ধর্ষণ ধর্ষক দের রাজার হালে জেল এ রাখা হযেছে।
ধর্ষক আর ভারতীয় কেন সমার্থক হবে না? এ দেশের পুরানে প্রায় প্রত্যেকটি দেবতা ধর্ষক ছিল,ধর্ষণ কে এ দেশে একটা গুন বলে ধরা হয়, পৌরুষ এর নামে। একমাত্র দেশ এই ভারতবর্ষ যেখানে পৌরুষ একটি গুন। এখানে গর্ব করে বাবা মা তাদের সন্তানের নাম রাখে বরালিঙ্গাম , মহলিন্গম , শিভালিঙ্গাম, আরো কত কিছু? একটা গোষ্ঠির পরিচায়ীক নাম বা তাখাল্লুস "লিঙ্গ্য়ায়েত ", সেটা নাকি গর্বের বিষয়! এ দেশে প্রতিটি কোনায় লিঙ্গ পুজো হচ্ছে , কুমারী কিশোরীরা লিঙ্গের আশায় লিঙ্গের প্রতিমাতে দুধ ঢালছে , দুধ এখানে ঔরসের অনুসঙ্গ অর্থাত পুরুষ ঔরসের অনুসঙ্গ। এই দেশে প্রকৃতির ওপরে পুরুষের স্থান, এ খানে স্রাবের ওপরে ঔরসের স্থান [ সরস্বতী র পুরানিক ধারণা কে গ্রহণ না করে বর্জন করা হলো- সমগ্র উত্তর ভারতে ] দেবী-ভাগবত কে অস্হীকার করে শ্রী-মদ-ভাগবত কে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্যে ১০৮ টি পুরানের মাত্র পরম্পরার ১৮টি পুরানকেই মহা পুরান বলা হলো. এই দেশে বন্দে মাতরম কে প্রতিস্থাপিত করা হলো, বন্দে পুরুশোত্তম হিসেবে , দূর্গা র ওপর রাম এর স্থান, এ দেশে ব্রাহ্মাপ্রতিভ সরস্বতী কে অস্হীকার করার জন্যে দূর্গা র ওপরে শিব কে বসানো হলো। আর প্রধান তিন troika তে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব কে বসানো হলো। কালী কে ব্রাত্য করে শক্তির নারী রূপ কে বদলে পৌরুষের যোদ্ধা রূপ কে বসানো হলো , এমনকি পশ্চিমের chivalry র গুন কে বদলে যোধ্হার রূপ আনা হলো এবং প্রতিটি যোধ্হা কেই ধর্ষক বানানো হলো কারণ ধর্ষণ ছাড়া সে তো পুরুষ হলো না না? ধর্ষণ , নারী চুরি , বহু বল্লভা , বহুগামী পুরুষের গর্বের গুন। এই সংস্কৃতি তে স্ত্রী এর প্রতি আনুগত্য কে স্ত্রৈণ বলে গাল পারা হয়, এখানে স্ত্রী এর মূল্য গরু র সঙ্গে এক পংতি তে, তাই ধর্ষণ না করলে পুরুষ রা বড় হলো না , যথেষ্ট পুরুষ হলো না। আর ঠিক এই কারণেই ভারতীয় আর ধর্ষক সমার্থক, এটাই আমাদের জাতীয় পরিচিতি বা national identity . এই মৃত্যু উপত্যকা আমার আপনার দেশ হতে পারে না, এই ধর্ষকের লীলাভূমি আমার মাতৃভূমি নয়। যে বাপ তার ধর্ষক পুত্র কে বাঁচিয়ে রাখে , আমি তাকে ঘৃনা করি. যে মা তার ধর্ষক পুত্র কে লুকিয়ে র্কাহে , নিজে হাতে বিষ মিশিযে মেরে ফেলে না, আমি তাকে ঘৃনা করি। আমি তাই ঘোরতর দেশদ্রোহী। এ দেশে দশপ্রেমি হতে গেলে পবিত্র দেশদ্রোহ এর পতাকা তুলতে হবে। ধ্বজা লিখতে পারলাম না, কারণ এ দেশের ভাষা গুলোতে ধহজা বলতে উত্থিত লিঙ্গ কেই বোঝায়। এখানে লিঙ্গ উথ্ছান এর অপারগতা কে ধ্বজভঙ্গ বলে গাল দেওয়া হয়, অসুস্থ স্ত্রীকে বিদেয় করে দেওয়াকেও ধর্মীয় ইজাজত দেওয়া হয়। এখানে যুধ্হের ধ্হজা আর ধর্ষকের উত্থিত লিঙ্গ দুটি ঐশীক ক্ষমতা। এ দেশে ২৮ দিনের শিশু কে ধর্ষণ করার পরে দেশ টা উল্টে গ্যালো না।
গণহত্যার থেকে অনেক ভয়ংকর এই ঘটনা টি, দেশ জ্বলে ওঠা উচিত ছিল, একটি পাতাও নড়ল না, কোনো বড় কাগজেও বেরোলো না, য্যামন বেরয় না ধর্মের নাম ধর্ষণ এর খবর। আমরা তাই সবাই ধর্ষক, কারণ আমরা রাগী না, আমরা ফুঁসে উঠি না, ঘেন্নায় নিজেদের মাথা নিচু করি না, সমগ্র নারী জাতির কাছে হাঁটু গেড়ে মাথা নিচু করে মাফি ভিক্ষা করি না, কারণ আমরা ভারতীয় পুরুষ, আমরা কুমারী পূজা করি , আবার তাদের ধর্ষণকারী কেও কেষ্ট র জীব বলে ক্ষমা করে দি. আমরা ধর্ষক না হলে কে ই বা ধর্ষক! ভারতীয় মানে তাই ধর্ষক!
ধর্ষক আর ভারতীয় কেন সমার্থক হবে না? এ দেশের পুরানে প্রায় প্রত্যেকটি দেবতা ধর্ষক ছিল,ধর্ষণ কে এ দেশে একটা গুন বলে ধরা হয়, পৌরুষ এর নামে। একমাত্র দেশ এই ভারতবর্ষ যেখানে পৌরুষ একটি গুন। এখানে গর্ব করে বাবা মা তাদের সন্তানের নাম রাখে বরালিঙ্গাম , মহলিন্গম , শিভালিঙ্গাম, আরো কত কিছু? একটা গোষ্ঠির পরিচায়ীক নাম বা তাখাল্লুস "লিঙ্গ্য়ায়েত ", সেটা নাকি গর্বের বিষয়! এ দেশে প্রতিটি কোনায় লিঙ্গ পুজো হচ্ছে , কুমারী কিশোরীরা লিঙ্গের আশায় লিঙ্গের প্রতিমাতে দুধ ঢালছে , দুধ এখানে ঔরসের অনুসঙ্গ অর্থাত পুরুষ ঔরসের অনুসঙ্গ। এই দেশে প্রকৃতির ওপরে পুরুষের স্থান, এ খানে স্রাবের ওপরে ঔরসের স্থান [ সরস্বতী র পুরানিক ধারণা কে গ্রহণ না করে বর্জন করা হলো- সমগ্র উত্তর ভারতে ] দেবী-ভাগবত কে অস্হীকার করে শ্রী-মদ-ভাগবত কে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার জন্যে ১০৮ টি পুরানের মাত্র পরম্পরার ১৮টি পুরানকেই মহা পুরান বলা হলো. এই দেশে বন্দে মাতরম কে প্রতিস্থাপিত করা হলো, বন্দে পুরুশোত্তম হিসেবে , দূর্গা র ওপর রাম এর স্থান, এ দেশে ব্রাহ্মাপ্রতিভ সরস্বতী কে অস্হীকার করার জন্যে দূর্গা র ওপরে শিব কে বসানো হলো। আর প্রধান তিন troika তে ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব কে বসানো হলো। কালী কে ব্রাত্য করে শক্তির নারী রূপ কে বদলে পৌরুষের যোদ্ধা রূপ কে বসানো হলো , এমনকি পশ্চিমের chivalry র গুন কে বদলে যোধ্হার রূপ আনা হলো এবং প্রতিটি যোধ্হা কেই ধর্ষক বানানো হলো কারণ ধর্ষণ ছাড়া সে তো পুরুষ হলো না না? ধর্ষণ , নারী চুরি , বহু বল্লভা , বহুগামী পুরুষের গর্বের গুন। এই সংস্কৃতি তে স্ত্রী এর প্রতি আনুগত্য কে স্ত্রৈণ বলে গাল পারা হয়, এখানে স্ত্রী এর মূল্য গরু র সঙ্গে এক পংতি তে, তাই ধর্ষণ না করলে পুরুষ রা বড় হলো না , যথেষ্ট পুরুষ হলো না। আর ঠিক এই কারণেই ভারতীয় আর ধর্ষক সমার্থক, এটাই আমাদের জাতীয় পরিচিতি বা national identity . এই মৃত্যু উপত্যকা আমার আপনার দেশ হতে পারে না, এই ধর্ষকের লীলাভূমি আমার মাতৃভূমি নয়। যে বাপ তার ধর্ষক পুত্র কে বাঁচিয়ে রাখে , আমি তাকে ঘৃনা করি. যে মা তার ধর্ষক পুত্র কে লুকিয়ে র্কাহে , নিজে হাতে বিষ মিশিযে মেরে ফেলে না, আমি তাকে ঘৃনা করি। আমি তাই ঘোরতর দেশদ্রোহী। এ দেশে দশপ্রেমি হতে গেলে পবিত্র দেশদ্রোহ এর পতাকা তুলতে হবে। ধ্বজা লিখতে পারলাম না, কারণ এ দেশের ভাষা গুলোতে ধহজা বলতে উত্থিত লিঙ্গ কেই বোঝায়। এখানে লিঙ্গ উথ্ছান এর অপারগতা কে ধ্বজভঙ্গ বলে গাল দেওয়া হয়, অসুস্থ স্ত্রীকে বিদেয় করে দেওয়াকেও ধর্মীয় ইজাজত দেওয়া হয়। এখানে যুধ্হের ধ্হজা আর ধর্ষকের উত্থিত লিঙ্গ দুটি ঐশীক ক্ষমতা। এ দেশে ২৮ দিনের শিশু কে ধর্ষণ করার পরে দেশ টা উল্টে গ্যালো না।
গণহত্যার থেকে অনেক ভয়ংকর এই ঘটনা টি, দেশ জ্বলে ওঠা উচিত ছিল, একটি পাতাও নড়ল না, কোনো বড় কাগজেও বেরোলো না, য্যামন বেরয় না ধর্মের নাম ধর্ষণ এর খবর। আমরা তাই সবাই ধর্ষক, কারণ আমরা রাগী না, আমরা ফুঁসে উঠি না, ঘেন্নায় নিজেদের মাথা নিচু করি না, সমগ্র নারী জাতির কাছে হাঁটু গেড়ে মাথা নিচু করে মাফি ভিক্ষা করি না, কারণ আমরা ভারতীয় পুরুষ, আমরা কুমারী পূজা করি , আবার তাদের ধর্ষণকারী কেও কেষ্ট র জীব বলে ক্ষমা করে দি. আমরা ধর্ষক না হলে কে ই বা ধর্ষক! ভারতীয় মানে তাই ধর্ষক!